মিরসরাইয়ের সাংসদ নুরুল আমিনের নেতৃত্বের প্রতি দীর্ঘ ১৬ বছরের আস্থা ও রাজনৈতিক পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন মঘাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এম হেলাল উদ্দিন। চিঠিতে তিনি নুরুল আমিন চেয়ারম্যানকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম প্রধান অভিভাবক হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও তাঁর সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
খোলা চিঠিতে এম হেলাল উদ্দিন তাঁর ছাত্র রাজনীতির শিক্ষক ও রাজনৈতিক পথচলার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে দিদারুল আলম মিয়াজীর প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ২০১০ সালের শুরুর দিকে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক প্রার্থী হওয়ার সময় তৎকালীন উপজেলা বিএনপির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। এরপর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটে।
এম হেলাল উদ্দিনের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাত্রদল থেকে নুরুল আমিনের রাজনৈতিক বলয়ে যুক্ত হওয়া প্রথম দিকের কর্মীদের মধ্যে তিনি ছিলেন। তাঁর সঙ্গে মোজাম্মেল, ফোরকান, রফিক, নাজিম ও কামালসহ কয়েকজন তরুণ ওই সময় নুরুল আমিনের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিতি পান। এই রাজনৈতিক যাত্রার পেছনে দিদারুল আলম মিয়াজীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলেও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন।
চিঠিতে তিনি বলেন, ২০১০ সাল থেকে সুখে দুঃখে, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও স্বপ্নের সঙ্গে নুরুল আমিনের প্রতি একনিষ্ঠ সমর্থন এবং আস্থা নিয়ে তিনি পথ চলেছেন। দীর্ঘ এই সময়ে নুরুল আমিন তাঁকে ও তাঁর মতো অনেক তরুণ কর্মীকে সম্মান, ভালোবাসা ও স্নেহ দিয়ে আগলে রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। অল্প বয়সেই আস্থার প্রতিদান হিসেবে অনেকে ইউনিয়ন বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বলেও জানান।
নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনামূলক অবস্থানও তুলে ধরেছেন এম হেলাল উদ্দিন। তিনি লিখেছেন, ব্যক্তিগতভাবে নুরুল আমিনকে কিছুই দিতে পারেননি, বরং তাঁর কাছ থেকে নিয়েছেন। এখন সেই আস্থার প্রতিদান দেওয়ার সময় এসেছে বলে মনে করেন তিনি। নুরুল আমিনের আদর্শ ও নির্দেশনা অনুসরণ করে ভবিষ্যতের কঠিন রাজনৈতিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেছেন তিনি।
চিঠির শেষাংশে নুরুল আমিনের নেতৃত্বের প্রতি নিজের আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করে এম হেলাল উদ্দিন বলেন, নুরুল আমিনের মতো প্রজ্ঞাবান, সংগ্রামী ও কর্মীবান্ধব নেতার কর্মী হতে পারাকে তিনি নিজের জন্য গৌরবের মনে করেন। নেতা তাঁকে ভবিষ্যতে যেখানে দেখতে চান, সেটিকেই তিনি নিজের জন্য উপযুক্ত অবস্থান হিসেবে মেনে নেবেন বলেও জানান। তাঁর ভাষায়, তিনি কোথায় থাকলে বা কীভাবে থাকলে ভালো হবে, সেটি তাঁর চেয়ে নুরুল আমিনই ভালো জানেন এবং নেতার সিদ্ধান্তই তাঁর কাছে সর্বোচ্চ।









